অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ
প্রবাসী নিউজ ডেস্ক | ২০ মার্চ ২০২৫
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন।দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ফারুক চৌধুরী উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ লুটপাট, টেন্ডার বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, স্বর্ণ চোরাচালান ও হুন্ডি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। এ ছাড়া, তার ও তার পরিবারের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।দুদক সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটি গত ১২ মার্চ কর্ণফুলী উপজেলার ইউএনও, প্রকল্প কর্মকর্তা ও এলজিইডি অফিসে চিঠি পাঠিয়েছে। এতে ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত তালিকা চাওয়া হয়েছে।
দুদকের পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে:২০১৭-২০২৪ সালের মধ্যে উপজেলা পরিষদের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর তালিকাপ্রকল্পের নাম, বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ, বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তার তথ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের হিসাব এই তথ্য সাত কার্যদিবসের মধ্যে দুদক কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অফিসগুলোর নীরবতা, এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া দুদকের চিঠি পাওয়ার পরও কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসনের কেউ আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। স্থানীয় জনগণের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।দুদকের সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছি। যথাযথ তথ্যপ্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই অনুসন্ধানের ফলে কর্ণফুলী উপজেলার আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী নিউজের পক্ষ থেকে আমরা পরবর্তী আপডেট জানিয়ে যাব।